


পবিত্র ঈদুল আজহা কবে পালিত হবে-২৭ মে নাকি ২৮ মে-এ নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে শুরু হয়েছে হিসাব-নিকাশ ও পূর্বাভাস। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে ২৭ মে ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা গেলেও বাংলাদেশে তা একদিন পর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ইতোমধ্যে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব ব্যবহার করা হচ্ছে। সৌদি আরবের সরকারি ক্যালেন্ডার ‘উম আল কুরা’ অনুযায়ী, ১৬ মে জিলকদ মাসের ২৯তম দিন এবং ১৭ মে হবে ৩০তম দিন। অর্থাৎ জিলকদ মাস পূর্ণ ৩০ দিন হওয়ার পর ১০ জিলহজ হিসেবে ২৭ মে ঈদুল আজহা উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে।
একই ধরনের পূর্বাভাস দিয়েছে পাকিস্তানও। দেশটির জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, চাঁদের অবস্থান অনুযায়ী ২৭ মে ঈদুল আজহা উদযাপিত হতে পারে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও একই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সেখানে হিসাব অনুযায়ী ২৬ মে আরাফাতের দিন এবং পরদিন ২৭ মে ঈদুল আজহা পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদের দিন নির্ধারণ করা হয়। সে হিসেবে সেখানে ২৭ মে অথবা ২৮ মে—দুই দিনের যেকোনো একটিতে ঈদ উদযাপন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর ঈদ উদযাপিত হয়। সেই হিসাব অনুযায়ী, দেশে ২৮ মে ঈদুল আজহা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে ইসলামী বিধান অনুযায়ী, চাঁদ দেখার ওপরই নির্ভর করে জিলহজ মাসের শুরু এবং ঈদের সঠিক তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তাই সব হিসাব-নিকাশের পরও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
২৭ মে বা ২৮ মে-এই দুই তারিখের যেকোনো একদিনে ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও চাঁদ দেখার ওপরই নির্ভর করছে চূড়ান্ত ঘোষণা।