


২০২৬ সালের নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের পর প্রথমবারের মতো প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া থালাপতি বিজয়। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি স্বচ্ছতা, যুবশক্তির ক্ষমতায়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তবে নিরঙ্কুশ জয় না পাওয়ায় সরকার গঠনে এখনো অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
নিজের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেত্রি কাজগাম-এর এই বড় সাফল্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বিজয় বলেন, দলটি শুরু থেকেই নানা সমালোচনা ও উপহাসের মুখে পড়েছিল। কিন্তু সব বাধা পেরিয়ে মানুষের ওপর ভরসা রেখে তারা নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে গেছেন।
তিনি এই নির্বাচনকে “অলৌকিক” উল্লেখ করে বলেন, শুরুতে যে স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল, তা এখন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ করে তিনি জানান, নিরপেক্ষতার আড়ালে অনেক সময় তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। তবুও তামিলনাড়ুর সাধারণ মানুষ সব সময় তাদের পাশে থেকেছেন।
বিজয় আরও বলেন, রাজনীতিতে আসার মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করা। জনগণের ভালোবাসাই তাদের শক্তি, যা ভবিষ্যতেও পথ দেখাবে।
তবে নির্বাচনে ভালো ফল করলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসনসংখ্যা এখনো পূরণ করতে পারেনি তার দল। ১১৮ আসনের বিপরীতে তামিলাগা ভেত্রি কাজগাম পেয়েছে ১০৮টি আসন। ফলে সরকার গঠনে আরও ১০টি আসনের সমর্থন প্রয়োজন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে জোট রাজনীতিই হতে পারে প্রধান সমাধান। সম্ভাব্য মিত্র হিসেবে আলোচনায় রয়েছে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস, পাট্টালি মাক্কাল কাচ্চি এবং বামপন্থী দলগুলো।
অন্যদিকে খুশবু সুন্দর-এর পক্ষ থেকে এনডিএ জোট-এ যোগ দেওয়ার আহ্বানও এসেছে। ফলে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—সরকার গঠনের লক্ষ্যে বিজয় কোন কৌশল বেছে নেন।
ঐতিহাসিক নির্বাচনী সাফল্যের পর থালাপতি বিজয়-এর সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কার্যকর জোট গঠন করে সরকার প্রতিষ্ঠা করা।