Date: May 20, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / জাতীয় / রাজধানীর বড় হাসপাতালে চালু হচ্ছে পাগলা ঘণ্টা ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যের প্...

রাজধানীর বড় হাসপাতালে চালু হচ্ছে পাগলা ঘণ্টা ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম

May 19, 2026 05:23:20 PM   দেশেরপত্র ডেস্ক
রাজধানীর বড় হাসপাতালে চালু হচ্ছে পাগলা ঘণ্টা ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম

রাজধানীর বড় সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেন্ট্রাল ইমারজেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম, যাকে ‘পাগলা ঘণ্টা’ বলা হচ্ছে, চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই ব্যবস্থা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

মঙ্গলবার (১৯ মে) তেজগাঁওয়ের কেন্দ্রীয় ঔষধাগার (সিএমএসডি)-এ অনুদান হিসেবে পাওয়া ভেন্টিলেটর ও অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালগুলোতে জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘কোড ব্লু’ বা ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা সহায়তা পাবেন এবং জরুরি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।

তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জোরদারে মহাখালী এলাকায় স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর জন্য আলাদা পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে হাসপাতাল কেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের ১০টি জেলা সদর হাসপাতালে ১০টি আইসিইউ ইউনিটের জন্য প্রতিটি ইউনিটে একটি করে শিশু ভেন্টিলেটর দেওয়া হয়েছে। এসব নতুন সুবিধা চালু হলে জেলা পর্যায়ে জরুরি শিশু চিকিৎসা সেবা আরও উন্নত হবে।

তিনি বলেন, ঈদুল আজহার পর এসব আইসিইউ ইউনিট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

হাসপাতাল নিরাপত্তা ও জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় ‘পাগলা ঘণ্টা’ বা ইমার্জেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম চালুর উদ্যোগকে স্বাস্থ্যখাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে।