


কলকাতার সুপারস্টার দেব সম্প্রতি স্বীকার করেছেন যে সিনেমার বক্সঅফিস কালেকশন নিয়ে প্রচলিত কিছু রিপোর্ট ‘পুরোপুরি সত্য নয়’। সাধারণত নতুন সিনেমা মুক্তির পর দুই-তিন দিনের মধ্যে বক্সঅফিস কালেকশন বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। দেবও তার সিনেমাগুলোর জন্য এই ধরনের ফলাও ফিগার প্রকাশ করেন। তবে চলচ্চিত্র ব্যবসার অনেকেই, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের সিনেমা দুনিয়ায়, এই সংখ্যাগুলোকে ‘স্ট্যান্ডবাজি’ বা প্রচারমূলক exaggeration হিসেবে দেখেন।
কলকাতার চলচ্চিত্র বিষয়ক সাময়িকী আনন্দলোককে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে দেব জানান, “সত্যি-মিথ্যা বলে কিছু নেই। পৃথিবীজুড়ে এটা হয়ে আসছে। যেমন হিন্দি সিনেমা ‘ধুরন্দর’ যে কালেকশন দেখাচ্ছে, সেটা কি মানুষ আসলে দেখছে? যেটা দেখাচ্ছে সেটাই সবাই বিশ্বাস করছে। এটি পুরোপুরি পারসেপশনের খেলা।”
তিনি আরও জানান, বক্সঅফিস কালেকশনকে বড় দেখানোর প্রবণতা শুধু কলকাতা বা ভারতে নয়, এটি আন্তর্জাতিক স্তরেও সাধারণ হয়ে গেছে। সকালে সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই মানুষ সবসময় জানতে চায়, কত টাকা আয় হলো, কিন্তু খুব কমই কেউ দেখতে যায় কয়টা শো হাউজফুল হয়েছে।
দেবের এই মন্তব্য আসছে তার সিনেমা ‘ধূমকেতু’র প্রসঙ্গে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহে সিনেমাটির বক্সঅফিস কালেকশন প্রকাশ করা হয়েছিল ১৫ কোটি ২৪ লাখ এবং দ্বিতীয় সপ্তাহে ২১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে দেব হাসিমুখে বলেন, “এটা আমি জানি না। তবে ‘ধূমকেতু’ ভালো ব্যবসা করেছে। কেউ যদি এই বক্সঅফিস ফিগার নিতে না পারে, সেটা তার ব্যাপার। সবটাই নিতে হবে এমন কোনো কথা নেই।”
শেষে তিনি উল্লেখ করেন, বক্সঅফিস কালেকশন বাড়িয়ে দেখানো এখন ‘নিউ নরমাল’। রেটিং, রিভিউ এমনকি কালেকশন সবকিছুই কিনে নেওয়া সম্ভব, এবং এটি আজকাল চলচ্চিত্র ব্যবসায় সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।