Date: May 14, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / শিক্ষাঙ্গন / ২০২৭ সালের এসএসসি জানুয়ারির শেষে, এইচএসসি জুনে নেওয়ার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যে...

২০২৭ সালের এসএসসি জানুয়ারির শেষে, এইচএসসি জুনে নেওয়ার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী

May 14, 2026 11:30:43 AM   অনলাইন ডেস্ক
২০২৭ সালের এসএসসি জানুয়ারির শেষে, এইচএসসি জুনে নেওয়ার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের সেশনজট ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে এবং এইচএসসি পরীক্ষা জুন মাসে আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে যেন অতিরিক্ত সময় নষ্ট না হয়, সে লক্ষ্য নিয়েই শিক্ষা মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে জানান তিনি।

বুধবার (১৩ মে) গাজীপুরের বোর্ড বাজার এলাকায় অবস্থিত ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি)-তে আয়োজিত শ্রেষ্ঠত্ব পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি জানান, করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন কারণে গত কয়েক বছরে দেশের শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের সেশনজট তৈরি হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পিছিয়ে গেছে পাবলিক পরীক্ষাগুলো। এই পরিস্থিতি থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে এসে শিক্ষা কার্যক্রমকে আগের নিয়মে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত মানসিক চাপ কমানো এবং পাঠদান কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও বাস্তবসম্মত করতে পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সে অনুযায়ী ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে এবং এইচএসসি পরীক্ষা জুন মাসে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে সেশনজট পুরোপুরি দূর করে পাবলিক পরীক্ষাগুলো নির্ধারিত সময়েই আয়োজন করতে চায় সরকার। এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ধাপে ধাপে পুরো ব্যবস্থাকে সমন্বিত করার কাজ করছে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও নীতিনির্ধারকদের কারণে কোনো শিক্ষার্থীর জীবন থেকে যেন অতিরিক্ত দুই বছর ঝরে না পড়ে, সে জন্য আমরা ধীরে ধীরে সবকিছু সমন্বয় করছি।”

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী পরীক্ষাগুলো নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় প্রবেশ এবং কর্মজীবনে যুক্ত হওয়ার পথ আরও সহজ ও সময়োপযোগী হবে।