


রাজশাহীর দুর্গাপুরে কলেজে ঢুকে শিক্ষিকাকে মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি এই ঘটনাকে অগ্রহণযোগ্য ও শিক্ষাব্যবস্থার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই নিন্দা জানান।
তিনি বলেন, গত ২৩ এপ্রিল রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা-এর দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে চাঁদা দাবি, শিক্ষিকাকে মারধর, অধ্যক্ষসহ শিক্ষকদের ওপর হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় এক রাজনৈতিক দলের নেতা ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে এই ঘটনার অভিযোগ ওঠে।
বিবৃতিতে বলা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে এমন ন্যাক্কারজনক হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং সমাজে ভয় ও অস্থিরতা তৈরি করছে। শিক্ষকদের সম্মান ক্ষুণ্ন করে এ ধরনের সহিংসতা পুরো শিক্ষক সমাজকে অপমান করেছে বলেও মন্তব্য করা হয়।
জামায়াত নেতা জুবায়ের আরও বলেন, শিক্ষকরা জাতি গঠনের কারিগর। তাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কিন্তু পরীক্ষার সময় কলেজে ঢুকে এমন হামলা শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত, গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আহত শিক্ষকদের চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সবশেষে তিনি বলেন, এ ধরনের সহিংসতা বন্ধ না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর হবে।