Date: May 17, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / বিনোদন / বিনা খরচে কারিনা কায়সারের মরদেহ দেশে আনছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার ক...

বিনা খরচে কারিনা কায়সারের মরদেহ দেশে আনছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি

May 17, 2026 11:29:39 AM   বিনোদন ডেস্ক
বিনা খরচে কারিনা কায়সারের মরদেহ দেশে আনছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি

ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের মরদেহ বিনা খরচে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। পারিবারিক সিদ্ধান্ত ও প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের পর মরদেহ চেন্নাই থেকে ঢাকায় আনার প্রস্তুতি চূড়ান্ত হয়েছে। দেশে আনার পর বনানীতে জানাজা শেষে মরদেহ নেওয়া হবে মুন্সিগঞ্জে দাফনের জন্য।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের এই মানবিক উদ্যোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কারিনার পারিবারিক সূত্র। এর আগে অন্য একটি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে মরদেহ আনার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে।

পরবর্তীতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বিনা খরচে মরদেহ পরিবহনের দায়িত্ব নেয়। রোববার বিকেলে চেন্নাই থেকে বিশেষ ফ্লাইটে কারিনার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

দেশে পৌঁছানোর পর মরদেহ প্রথমে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসে তার নিজ বাসায় নেওয়া হবে। এরপর বনানী ডিওএইচএস মসজিদে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

কারিনার বাবা কায়সার হামিদ জানিয়েছেন, জানাজার পর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার নানাবাড়িতে। সেখানেই পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, লিভারজনিত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার পর গত ১১ মে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ভারতের চেন্নাইয়ের ভেলোর খ্রিষ্টান মেডিকেল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার গভীর রাতে তার মৃত্যু হয়।

তার বাবা কায়সার হামিদ জানান, হঠাৎ করেই কারিনার রক্তচাপ মারাত্মকভাবে কমে যায়। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এর আগে ঢাকার একটি হাসপাতালে এক সপ্তাহের বেশি সময় চিকিৎসাধীন ছিলেন কারিনা কায়সার। অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে স্থানান্তর করা হয়।

চেন্নাই থেকে কারিনার মা লোপা কায়সার জানান, চিকিৎসকেরা বলেছিলেন লিভার প্রতিস্থাপন বা বড় অস্ত্রোপচারের ধকল নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থা তার ছিল না। তার ফুসফুসে তরল ও কফ জমে সংক্রমণ তৈরি হয়েছিল, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

কারিনা কায়সার শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বিভিন্ন মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন। ‘এ’ লেভেল শেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাওয়ার আগে তিনি ইংরেজি বিভাগে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করেন। দেশে ফিরে তিনি কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পান এবং পরে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার সঙ্গেও যুক্ত হন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।