


গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত চলা এই ঝড়ে পৌর শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য গাছ উপড়ে পড়ে এবং ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ের কারণে অনেক জায়গায় যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে।
উপজেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, গাছ উপড়ে পড়ার কারণে সুন্দরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস ও চারটি শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যালয়ের ৩৫ বছরের পুরোনো একটি বিশাল বটগাছ উপড়ে পড়ায় ভবনটির ওপর এই দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া বড় বড় গাছ পড়ে থাকায় সুন্দরগঞ্জ হাসপাতাল রোড, গাজীরকুড়া ও আলুটারি এলাকায় দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ ছিল।
বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ধরণ ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে জানা গেছে, পৌর শহরের বাহিরগোলা মোড় থেকে বাইপাস পর্যন্ত অনেক জায়গায় গাছ পড়ে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে। ফলে পুরো এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ ছিল না। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ঝড়ের ফলে ফসলি জমিরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম মোস্তফা বাবু জানান, ঝড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বহু মানুষের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ায় পুরো এলাকা যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।
এখন পর্যন্ত উপজেলার মোট ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির ধরণ পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে বলে জানা গেছে। তবে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে তাৎক্ষণিকভাবে কথা বলা সম্ভব হয়নি। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন দ্রুত বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছে।