


রাজনীতি ও সাংগঠনিক ব্যস্ততার পাশাপাশি একাডেমিক ক্ষেত্রেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভিপি ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সমাজসেবা সম্পাদক মোস্তাকুর রহমান জাহিদ। মাস্টার্সের শেষ সেমিস্টারে তিনি জিপিএ ৪-এর মধ্যে পূর্ণ ৪.০০ অর্জন করেছেন। তার এই ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদ এর আগেও অনার্সে ভালো ফলাফল করেছিলেন। অনার্সে তার সিজিপিএ ছিল ৩.৭৬। মাস্টার্স পর্যায়েও ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল বজায় রেখেছেন তিনি। তিন সেমিস্টারের ফলাফলে দেখা গেছে, প্রথম সেমিস্টারে তিনি পেয়েছেন ৩.৯২, দ্বিতীয় সেমিস্টারে ৩.৮৮ এবং শেষ সেমিস্টারে অর্জন করেছেন সর্বোচ্চ জিপিএ ৪.০০।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করার পাশাপাশি পড়াশোনায় এমন সাফল্য অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠেছে। সহপাঠী ও শিক্ষার্থীদের মতে, সাংগঠনিক ব্যস্ততার মধ্যেও নিয়মিত অধ্যয়ন ও সময় ব্যবস্থাপনার কারণেই তিনি এই সাফল্য অর্জন করতে পেরেছেন।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জাহিদ বলেন, “প্রথমেই আল্লাহ তাআলার শুকরিয়া। পরিশ্রম তো অবশ্যই আছে, তবে আল্লাহর রহমতটাই সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে। আলহামদুলিল্লাহ, মাস্টার্সে ভালো ফলাফলের মধ্য দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার একাডেমিক জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটল। সবার কাছে দোয়ার আবেদন রইল।”
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার ইচ্ছা রয়েছে তার। পাশাপাশি উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জন্য গবেষণাধর্মী পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নেতৃত্ব ও একাডেমিক সাফল্য একসঙ্গে ধরে রাখা সহজ নয়। সেই জায়গায় জাহিদের এই অর্জন নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।