


আগামী জাতীয় বাজেটের পর দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে পুরোপুরি ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা করছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি জানিয়েছেন, এই পুনর্গঠনের মূল লক্ষ্য হলো ক্রীড়াবিদদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং দেশের তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভাদের কাজে লাগানো।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, প্রথম ধাপে জাতীয় খেলোয়াড়দের বেতন কাঠামোর মধ্যে আনা হবে, যাতে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা ও প্রোফেশনাল উন্নয়নের সুযোগ নিশ্চিত করা যায়। পাশাপাশি তিনি খুব শিগগিরি ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি চালু করতে চান, যা মূলত তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়ার উন্নয়ন এবং নতুন প্রতিভার আবিষ্কারের ওপর গুরুত্ব দেবে।
তিনি বলেন, “আমরা শুধু সাতটি খেলায় সীমাবদ্ধ থাকব না। ইদের পরপরই আমরা এই উদ্যোগ শুরু করতে যাচ্ছি। জুন-জুলাইয়ের পরে বাজেট সেশন শুরু হলে, আমরা চেষ্টা করব, ভলিবল থেকে শুরু করে হ্যান্ডবলসহ অন্যান্য খেলাধুলাও দেশের তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে।”
এ ছাড়াও প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় শিক্ষাক্রমে ক্রীড়াকে বাধ্যতামূলক করার প্রক্রিয়া চলমান। এর সঙ্গে সাবেক ক্রীড়াবিদদের অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষাক্রমে ক্রীড়া শিক্ষক হিসেবে কর্মসংস্থান করা হবে। এতে ক্রীড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের ক্রীড়ার মান উন্নত হবে।
এভাবে জাতীয় বাজেটের পর ক্রীড়াঙ্গনের এই রূপান্তর কর্মসূচি ক্রীড়াবিদদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নতুন প্রতিভা আবিষ্কার করা এবং শিক্ষাব্যবস্থায় ক্রীড়াকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।