


মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফার চিকিৎসায় গঠন করা হয়েছে উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড।
টেকনাফের শিশু হুজাইফা আফনানের গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তার সঠিক ও জটিল চিকিৎসা নিশ্চিত করতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে একটি উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) হাসপাতালটির ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।
মেডিকেল বোর্ডের নেতৃত্বে রয়েছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের পরিচালক ডা. কাজী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ। বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে আছেন হাসপাতালের যুগ্ম পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. বদরুল আলম মন্ডল, অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর হিমু, সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ্ত কুমার মুখার্জি, সহযোগী অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম এবং সহযোগী অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন চৌধুরী।
ডা. হুমায়ুন কবীর হিমু বলেন, মেডিকেল বোর্ডে নিউরোসার্জারি, নিউরোলজি, আইসিইউ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগের অভিজ্ঞ চিকিৎসকেরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। বোর্ড শিশুটির বর্তমান শারীরিক অবস্থা, গুলির আঘাতে সৃষ্ট নিউরোসার্জিক্যাল জটিলতা এবং সম্ভাব্য চিকিৎসা ধাপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছে।
তিনি আরও জানান, মেডিকেল বোর্ডের বৈঠক চলমান রয়েছে এবং বৈঠকের শেষে শিশু হুজাইফার চিকিৎসা বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আপাতত তাকে আইসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
এর আগে গুলির আঘাতে শিশুর মস্তিষ্কে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হলে জরুরি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার মাথার খুলির একটি অংশ খুলে রাখা হয়েছিল। বর্তমানে শিশুটি লাইফ সাপোর্টে রয়েছে। চিকিৎসকেরা জানান, শিশুটির অবস্থা অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় প্রতিটি চিকিৎসা সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে।