


গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোট দেশব্যাপী ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীসহ সারাদেশে ধারাবাহিক গণমিছিল, লিফলেট বিতরণ, সেমিনার ও সমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে আল ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘চলমান আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি’ শিরোনামে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন।
তিনি জানান, কর্মসূচির শুরুতেই আগামী ১৮ এপ্রিল ঢাকায় বড় পরিসরে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৫ এপ্রিল ঢাকা বাদে দেশের সব বিভাগীয় শহরে গণমিছিল আয়োজন করা হবে। ধারাবাহিকভাবে ২ মে সারাদেশের প্রতিটি জেলা শহরেও গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
এই সময়ের মধ্যে ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরগুলোতে লিফলেট বিতরণ ও বিভিন্ন সেমিনারের আয়োজন করা হবে, যার মাধ্যমে গণভোটের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে।
তিনি আরও জানান, ২ মে’র পর আন্দোলনের নতুন ধাপে বিভাগীয় শহরগুলোতে বড় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনে বিক্ষোভ সমাবেশ করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব কর্মসূচিতে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।
এই পর্যায়ের কর্মসূচি শেষে রাজধানীতে একটি বৃহৎ সমাবেশ আয়োজন করা হবে, যার তারিখ পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধারাবাহিক কর্মসূচি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন গতি আনতে পারে এবং গণভোট ইস্যুকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তাপ ছড়াতে পারে।