


আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে কুরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি সারা দেশে সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য পরিষ্কার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
সোমবার (৪ মে) সচিবালয়ে ঈদুল আজহার সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি বলেন, কুরবানির পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। অতীতে অনেক জায়গায় সময়মতো বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় এবার প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন—সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও জেলা পর্যায়ে কোথাও যেন বর্জ্য জমে না থাকে এবং সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যেই তা অপসারণ করতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, খুব শিগগিরই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সারাদেশের সিটি করপোরেশন প্রশাসক, মেয়র ও জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। সরকারের লক্ষ্য—নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা করা এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা।
তিনি বলেন, শুধু বর্জ্য অপসারণ নয়, স্যানিটেশন ব্যবস্থাও জোরদার করা হবে, যাতে ঈদের সময় কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি না হয়।
এদিকে, শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী আরও নির্দেশ দিয়েছেন, কোনো অবস্থাতেই মহাসড়কের ওপর পশুর হাট বসানো যাবে না। একইভাবে রেললাইনের পাশেও হাট বসানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
সরকারের এই পদক্ষেপকে ঈদুল আজহা ঘিরে নগর ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা নাগরিক ভোগান্তি কমানোর পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।