Date: April 18, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / আবহাওয়া / সব বিভাগে বৃষ্টির আভাস, দমকা হাওয়ায় কমতে পারে চৈত্রের গরম - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যের প্রকাশ

সব বিভাগে বৃষ্টির আভাস, দমকা হাওয়ায় কমতে পারে চৈত্রের গরম

March 11, 2026 11:04:51 AM   অনলাইন ডেস্ক
সব বিভাগে বৃষ্টির আভাস, দমকা হাওয়ায় কমতে পারে চৈত্রের গরম

চৈত্রের তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করা দেশের মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ বুধবার দেশের সব বিভাগেই দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসতে পারে, আর সেই সঙ্গে কয়েক দিনের জন্য মিলতে পারে গরম থেকে সামান্য স্বস্তি।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে আকাশে মেঘের ঘনঘটা বাড়ছে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে কাজ করছে একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ, যা বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং তার আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি দক্ষিণের দিকে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এলাকায় মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ সক্রিয় রয়েছে।

এই দুই আবহাওয়াগত অবস্থার প্রভাবে আজ দেশের প্রতিটি বিভাগেই দু–এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও বজ্রপাতও হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস।

শুধু আজই নয়, আগামীকাল বৃহস্পতিবারও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একই ধরনের আবহাওয়া পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রপাত এবং বৃষ্টিপাতের ঘটনা অব্যাহত থাকতে পারে।

তবে এই বৃষ্টির ধারা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী সপ্তাহের শেষের দিকে আবারও বৃষ্টির প্রবণতা কমে যেতে পারে এবং ধীরে ধীরে গরম বাড়তে পারে।

তাপমাত্রার দিক থেকেও কিছুটা পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে। আজ দিনের তাপমাত্রা সারা দেশে সামান্য কমতে পারে, ফলে দিনের বেলায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সব মিলিয়ে চৈত্রের তপ্ত আবহাওয়ার মাঝে কয়েক দিনের জন্য স্বস্তি নিয়ে আসতে পারে এই বৃষ্টি। তবে হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা থাকায় বাইরে বের হওয়ার সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। তাই প্রয়োজনে ছাতা বা রেইনকোট সঙ্গে রাখাই হতে পারে বুদ্ধিমানের কাজ।