Date: May 04, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / সারাদেশ / রংপুর / রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীতকরণ, কাউনিয়ায় পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন সভা - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যে...

রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীতকরণ, কাউনিয়ায় পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন সভা

May 04, 2026 07:57:52 PM   অনলাইন ডেস্ক
রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীতকরণ, কাউনিয়ায় পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন সভা

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুর থেকে কুড়িগ্রাম পর্যন্ত মহাসড়ককে ৪ লেনে উন্নীত করার লক্ষ্যে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের একটি বিশেষ প্রকল্পের আওতায় সোমবার (৪ মে) সকালে কাউনিয়া উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এই সভা আয়োজন করা হয়।

বালাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আনসার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক নুর আলম। সভার শুরুতেই প্রকল্পের পরিবেশ বিশেষজ্ঞ খন্দকার আব্দুল কাইয়ুম পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়নের বিভিন্ন দিক এবং এর গুরুত্ব নিয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

সভায় উপস্থিত বক্তারা এই বিশাল প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভূমি অধিগ্রহণ, স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সঠিক পাওনা বা ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার বিষয়টি। তারা বলেন, এই মহাসড়কটি ৪ লেনে উন্নীত হলে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে। এর ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবায় এই অঞ্চলের মানুষ অনেক বেশি সুবিধা পাবে।

তবে উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের অধিকারের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা। তারা বলেন, যথাযথ নিয়ম মেনে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে কাজ করলে এই প্রকল্পটি উত্তরাঞ্চলের টেকসই উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে। এই পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং স্থানীয় মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপরও তারা জোর দেন।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট মো. হাসান ই মোবারক, কাউনিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সফিকুল আলম সফি, এনসিপির উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী সাইদুল ইসলাম, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ খন্দকার মোহাম্মদ আব্দুল কাদির এবং বালাপাড়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. আব্দুর রহিম।

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন যে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এলাকার অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।