Date: May 08, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / রাজনীতি / প্রথম মাসের বেতন বেদে শিক্ষার্থীদের জন্য দিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যের প্রকাশ

প্রথম মাসের বেতন বেদে শিক্ষার্থীদের জন্য দিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

May 08, 2026 08:33:34 PM   অনলাইন ডেস্ক
প্রথম মাসের বেতন বেদে শিক্ষার্থীদের জন্য দিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

পিছিয়ে পড়া বেদে সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। নিজের প্রথম মাসের বেতন থেকে ৩৪ জন বেদে শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করেছেন তিনি। তার এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে 'লেটস মিট জিপসি জিনিয়াস' শিরোনামে একটি পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানান হাসনাত আব্দুল্লাহ। সেখানে শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের নিয়ে আয়োজিত সচেতনতামূলক এক অনুষ্ঠানের ভিডিওও প্রকাশ করা হয়।

screenshot-1-25.jpg

অনুষ্ঠানে তিনি বিশেষভাবে মেয়েদের শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বেদে সম্প্রদায়ের অনেক পরিবারে মাধ্যমিকের পর মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে, যা ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর। তাই মেয়েদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পরিবারকে আরও সচেতন হতে হবে।

হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান, যেসব শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা চালিয়ে যাবে, তাদের প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হবে। এই সহায়তা নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ৩৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রয়োজন ও শিক্ষাগত পারফরম্যান্স বিবেচনায় প্রাথমিকভাবে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃত্তি প্রদান করা হয়।

তবে বৃত্তির ক্ষেত্রে কিছু শর্তও উল্লেখ করেন তিনি। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা করতে হবে এবং ভালো ফলাফল বজায় রাখতে হবে। অবহেলা বা খারাপ ফলাফলের ক্ষেত্রে বৃত্তি বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বেদে সম্প্রদায়ের মেয়েদের শিক্ষিত করা শুধু চাকরির সুযোগ তৈরির জন্য নয়, বরং সচেতন ও আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ে তোলার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, শিক্ষা ছাড়া এই সম্প্রদায়ের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষার প্রসারে এই উদ্যোগকে ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা ও সচেতন মহল।