Date: May 11, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / শিক্ষাঙ্গন / পাকিস্তানে বিনা খরচে পড়াশোনার বড় সুযোগ: শিক্ষামন্ত্রী - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যের প্রকাশ

পাকিস্তানে বিনা খরচে পড়াশোনার বড় সুযোগ: শিক্ষামন্ত্রী

May 11, 2026 02:27:40 PM   অনলাইন ডেস্ক
পাকিস্তানে বিনা খরচে পড়াশোনার বড় সুযোগ: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পাকিস্তানে বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগকে বড় সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে শিক্ষার্থীরা যেমন মানসম্মত শিক্ষা অর্জন করতে পারবে, তেমনি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও ভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গেও পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবে।

সোমবার (১১ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘পাকিস্তান এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, যৌথ গবেষণা এবং বৃত্তি কার্যক্রম চালু হলে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রায় ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চালু হলে শিক্ষার্থীরা বৈশ্বিক শিক্ষা ও গবেষণায় আরও দক্ষ হয়ে উঠবে।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, পাকিস্তানের বৃত্তি কার্যক্রমটি ব্যতিক্রমধর্মী। এখানে পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাবী শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করা হচ্ছে। এর ফলে যোগ্য শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ পাবে।

অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার জানান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা জোরদারে ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোর’ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি বলেন, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের সময় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০টি বৃত্তির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে সেই কার্যক্রমের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগামী ১০ দিনের মধ্যে বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন শহরে শিক্ষা মেলার আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম, গবেষণা সহযোগিতা ও শিক্ষক বিনিময় কার্যক্রম বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।