


ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলার প্রেক্ষাপটে নতুন স্কুল নির্মাণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, কেউ জমি দিলে সেই ব্যক্তির নামেই নতুন স্কুলের নামকরণ করা হবে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে সিলেট-এর জালালাবাদ গ্যাস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সভাটি এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে সামনে রেখে সিলেট অঞ্চলের শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জানানো হয়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উন্নয়ন কাজের কারণে অন্তত ১৮টি স্কুল ভেঙে ফেলা হবে। বিষয়টি তুলে ধরেন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
এর জবাবে আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, মহাসড়কের পাশে থাকা স্কুলগুলো ভেঙে ফেলা হলেও নতুন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করা হবে। তিনি শিক্ষানুরাগী ও স্থানীয়দের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “কেউ যদি স্কুল নির্মাণের জন্য জমি দেন, তাহলে সেই ব্যক্তির নামেই স্কুলের নামকরণ করা হবে।”
তিনি আরও জানান, নতুন স্কুল নির্মাণে অর্থায়ন করবে সরকার ও সড়ক বিভাগ।
সভায় সিলেটের শিক্ষা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে বক্তব্য দেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতারা।
এছাড়া শিক্ষা খাতের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত দেন সিলেট শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা।
সভায় জানানো হয়, আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২২৫টি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৫২টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৩৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সড়ক উন্নয়নের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকল্প ব্যবস্থা এবং নতুন উদ্যোগ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা এই সভায় স্পষ্ট হয়েছে।