Date: May 08, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / রাজনীতি / হেফাজতের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যের প্রকাশ

হেফাজতের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

January 05, 2026 09:36:16 PM   দেশেরপত্র ডেস্ক
হেফাজতের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশের আলোচিত ইসলামিক স্কলার মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব। এই বৈঠকের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছেব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইলআশুগঞ্জ) আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম প্রায় চূড়ান্ত।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিট থেকে ৪টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও উপস্থিত ছিলেন।

মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বর্তমানে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলীয় সূত্রগুলো জানায়, তারেক রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ।

সূত্র মতে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি সমর্থিত জোটের প্রার্থী হিসেবে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ইতোমধ্যে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি ওই আসনে জোটের অন্যতম মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দৃঢ় অবস্থানে চলে এসেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের মতো প্রভাবশালী আলেম ও জনপ্রিয় বক্তাকে এই আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে স্থানীয় বিএনপির ভোটব্যাংকের সঙ্গে বড় একটি ধর্মীয় জনসমর্থন যুক্ত হবে, যা নির্বাচনী সমীকরণকে জোটের পক্ষে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে তারেক রহমান বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় শক্তির সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদার করছেন। মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা এবং সরাইলআশুগঞ্জ এলাকায় তার প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে বিএনপি হাইকমান্ড এই আসনটি জোটের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে তার জন্য বরাদ্দ দেওয়ার পথে এগোচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।