


‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস’ ও ‘মে দিবস’ উপলক্ষে দেশের শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে দেওয়া এক বাণীতে তিনি শ্রমিকদের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় মে দিবস পালিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য—“সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত”।
তিনি দেশে-বিদেশে কর্মরত সব শ্রমজীবী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম।
তিনি স্মরণ করেন ১৮৮৬ সালের হে মার্কেট আন্দোলন-এ শ্রমিকদের আত্মত্যাগ, যেখানে ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে আন্দোলন হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমজীবী মানুষই দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। তাই তাদের জীবনমান উন্নয়ন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা সরকারের অঙ্গীকার।
তিনি আরও জানান, শ্রমবান্ধব নীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমিকদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
এ সময় তিনি জিয়াউর রহমান-এর অবদান স্মরণ করে বলেন, তার উদ্যোগে বিদেশে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজার সৃষ্টি হয়, যা দেশের অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার শ্রম আইন সংস্কার, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা-র ৩৯টি কনভেনশন ও একটি প্রোটোকল অনুস্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ এবং সংস্থাটির সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি তাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
শেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শ্রমিকদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা গেলে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।