


গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বাংলা বিভাগের এক ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে মোল্লারহাটে একটি ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে। দীপা দাস নামের ওই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন। পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ থেকে জানা যায়, স্বামীর সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দীপা তাঁর স্বামীকে একটি ঘরে আটকে রেখে অন্য ঘরে গিয়ে ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দেন। পরে বাড়ির লোকজনের সহায়তায় কক্ষের দরজা ভেঙে দীপাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
দীপার সহপাঠী জেরভাস বিশ্বাস ও রিফাত ইসলাম জানান, পারিবারিক ঝগড়ার পর তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তাঁরা শুনেছেন। মেধাবী এই শিক্ষার্থীর অকাল মৃত্যুতে সহপাঠীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. আহসান সৌরভ জানান, দীপা তাঁর স্বামী ও দুই বছরের সন্তান নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অনাকাঙ্ক্ষিত। লিখিত অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
গোপালগঞ্জ সদর থানার পুলিশ জানিয়েছে, হাসপাতালের মাধ্যমে তারা এই খবর পায়। পরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দীপার বাবা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন। বর্তমানে তাঁর স্বামীর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি কারণ তাঁর ফোনটি বন্ধ রয়েছে। তবে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে।