Date: May 11, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / সারাদেশ / ময়মনসিংহ / ময়মনসিংহে হেযবুত তওহীদের কর্মী সম্মেলন: জঙ্গিবাদ ও ধর্মীয় ব্যবসা রুখে দেওয়ার আহ্বান - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে...

ময়মনসিংহে হেযবুত তওহীদের কর্মী সম্মেলন: জঙ্গিবাদ ও ধর্মীয় ব্যবসা রুখে দেওয়ার আহ্বান

July 04, 2025 12:30:36 AM   অনলাইন ডেস্ক
ময়মনসিংহে হেযবুত তওহীদের কর্মী সম্মেলন: জঙ্গিবাদ ও ধর্মীয় ব্যবসা রুখে দেওয়ার আহ্বান

মোঃ হোসাইন আলী:
জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় ব্যবসার বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে ময়মনসিংহে হেযবুত তওহীদের এক বর্ণাঢ্য কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২ জুলাই ২০২৫) সদর উপজেলার চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নের বাটিপাড়া এলাকায় এই সম্মেলনের আয়োজন করে সংগঠনটির ময়মনসিংহ জেলা শাখা। এতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে সংগঠনের নেতাকর্মীরা যোগ দেন।

সংগঠনের আদর্শ, দর্শন এবং চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে সদস্যদের অবগত করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করাই ছিল সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য।

সংগঠনের ময়মনসিংহ বিভাগীয় সভাপতি মোঃ এনামুল হক বাপ্পার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হেযবুত তওহীদের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী মোঃ নিজাম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক রিয়াল তালুকদার, কৃষি সম্পাদক মোতালেব খান এবং বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক রহমত উল্লাহ রানা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আব্দুল কাইয়ুম নয়ন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ নিজাম উদ্দিন বলেন, "প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই হেযবুত তওহীদ ইসলামকে রাজনৈতিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে রেখে এর প্রকৃত মানবিক আবেদন মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করছে। আমরা বিশ্বাস করি, তওহীদের সঠিক চেতনা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হলে সকল প্রকার বিভেদ, সহিংসতা, জঙ্গিবাদ ও ধর্মীয় ব্যবসা নির্মূল হবে।"

তিনি আরও বলেন, "ধর্মকে শুধু আচার-অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ না রেখে এর মূল শিক্ষা—আত্মশুদ্ধি, ন্যায়বিচার ও মানবতার চর্চা করতে হবে। হেযবুত তওহীদ মানুষকে সেই সত্য, সাহস ও যুক্তিবাদী ইসলামের দিকেই আহ্বান জানায়, যা একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নত সমাজ গড়তে সক্ষম।"
অন্যান্য বক্তারা বলেন, হেযবুত তওহীদ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং এটি একটি সামাজিক ও নৈতিক আন্দোলন। সম্মেলনে বক্তারা

সংগঠনের কয়েকটি মূল নীতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন: একমাত্র আল্লাহর আনুগত্য করা, অন্য কারও নয়; ধর্মকে ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার নিষিদ্ধ; জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও সব ধরনের উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা; ধর্ম, বিজ্ঞান ও যুক্তির সমন্বয়ে একটি প্রগতিশীল সমাজ গঠন করা।

সম্মেলন শেষে কর্মীদের প্রতি সমাজের, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে ইসলামের শান্তির বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। সকল প্রকার বিভ্রান্তি ও উগ্রপন্থা থেকে তরুণদের রক্ষা করে তাদের সত্য, যুক্তি ও মানবিকতার পথে পরিচালিত করতে ভূমিকা রাখার জন্যেও বিশেষভাবে তাগিদ দেওয়া হয়।