


কমলনগর সংবাদদাতা, লক্ষ্মীপুর:
চার পাশে পানি, মাঝখান ঝুপড়ি ঘর। স্ত্রী ও দুই মেয়ে নিয়ে শেষ আশ্রয় নিয়ে বাঁচার স্বপ্ন দেখেন আব্দুল মালেক। সাত বছর আগে রাক্ষুসে মেঘনায় গিলে খেয়েছেন লক্ষীপুরের কমলনগর উপজেলার পাটোয়ারীর হাট এলাকার বাব-দাদার বসত বিটা।
উপায়ান্তর না পেয়ে পাশ্ববর্তী এলাকা বেড়ীর পাশে একটি । ঝুপড়ি ঘর তুলে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে কোনো মতে দিনাতিপাত করেছেন তিনি।
বর্ষা মৌসুমে ওই ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করার কোনো উপায় থাকে না।তার পর ও নতুন ভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখেছেন তিনি।রামগতি কমলনগরে মেঘনার ভাঙনে বিলীন হওয়া। এরকম হাজার হাজার আব্দুল মালেক রয়েছে। যাদের মাথা গুজার ঠাঁই হয়েছে বেড়ি কিংবা রামগতি লক্ষীপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে অথবা অন্যের জায়গায়। প্রতিবছর মেঘনার ভাঙনে রামগতি কমলনগরের কয়েক হাজার ঘরবাড়ি ও হাজার হাজার এরকম ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে।
ভাঙনের উল্লেখ যোগ্য কোনো বেড়ীবাঁধ না হওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করেছেন ভাঙন কবলিত এলাকার ওই সব মানুষ।
তাছাড়া গত কয়েক বছর থেকে সরকারের উদ্যোগে গৃহহীনদের জন্য ঘর করে দেওয়া বরাদ্দ হলেও ওই ঘরগুলো আব্দুল মালেকের ভাগ্য জুটে না।ওই সব ঘর জুটে জন প্রতিনিধি ও তাদের আত্নীয় স্বজন এবং সরকার দলীয় লোক জনের ভাগ্যো।
অথবা যারা মোটা অঙ্কের টাকা দিতে পারেন তারাই হয় সরকারের দেওয়া বিনামূল্যে ওইসব ঘরের মালিক।শরে জমিন ঘুরে দেখা যায় মেঘনা নদীর ভাঙনে হাজার হাজার মানুষ আজ দিশেহারা খাবার নাই বস্তু নাই বাসস্থান নাই তাদেরকে দেখার মত যেনো কেউ নেই।
আব্দুল মালেক জানান তার ৯২ বছর বয়স হয়েছে আগের মত কোনো কাম-কাজ করতে পারেনা এখন পযন্ত এলাকার মেম্বার বা চেয়ারম্যান তাকে একটা বয়স্ক বাতার কার্ডও করে দেইনি।
তাই সরকারের কাছে আব্দুল মালেকের আকুল আবেদন যেনো সরকার তাকে আশ্রয় প্রল্পে একটি ঘরের ব্যবস্তা করে দেয়,যেনো তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে মাথা গুজার ঠাঁই পাই।