Date: May 03, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / সারাদেশ / রংপুর / কুড়িগ্রামে চাকরি দেওয়ার নামে ১৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ: স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যের প্র...

কুড়িগ্রামে চাকরি দেওয়ার নামে ১৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ: স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড

January 14, 2026 07:20:46 PM   অনলাইন ডেস্ক
কুড়িগ্রামে চাকরি দেওয়ার নামে ১৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ: স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড

শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রামের উলিপুরে সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ১৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মামলায় এক দম্পতিকে ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। দণ্ডিতরা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) কুড়িগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান লাইজু মিয়া জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: উলিপুর পৌরসভার রামদাস ধনীরাম সরদার পাড়ার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ ও তার স্ত্রী আফরোজা বেগম। আফরোজা বেগম উলিপুরের গুনাইগাছ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মী এবং তার স্বামী আব্দুর রশিদ ঢাকা ওয়াসার এমপিও পদে কর্মরত।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সরকারি চাকরিতে থাকার সুবাদে ওই দম্পতি স্থানীয় স্কুলশিক্ষক আব্দুল মালেকের জামাতাকে খাদ্য অধিদপ্তরে চাকরি নিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এ বাবদ তারা ১৪ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও চাকরি না দিয়ে তারা টালবাহানা শুরু করেন এবং টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন।

নিরুপায় হয়ে শিক্ষক আব্দুল মালেক ২০২৩ সালের ৯ এপ্রিল কুড়িগ্রাম আদালতে ওই দম্পতির বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা (সিআর ২৯৩/২৩) দায়ের করেন। প্রায় দুই বছর মামলা চলার পর সোমবার আদালত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে স্ত্রী আফরোজা বেগমকে ৩ বছর এবং স্বামী আব্দুর রশিদকে ১ বছর ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া উভয়কে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দণ্ডিত এই দম্পতি উলিপুর উপজেলার প্রায় ৫০টি পরিবারের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে দুটি প্রতারণার মামলা হয়েছিল এবং সেসব মামলায় তারা সাজা ভোগ করেছিলেন।

মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট আলী আহমেদ আতিক। তিনি জানান, আদালত উপযুক্ত রায় দিয়েছেন এবং এতে বাদীপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।