


ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি:
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের পনশাহী গ্রামের মুন্সী বাড়ির সৈয়দ আহমেদ (৬৬) কে পুত্র হারুনুর রশিদ (৪০) পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় কচুয়া থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আহত পিতা সৈয়দ আহমেদ কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় পিতা সৈয়দ আহমেদ বাদী হয়ে পুত্র হারুনুর রশিদ, পুত্রবধু সেলিনা বেগম (৩৫), তাদের পুত্র সিহাব (২২) ও একই গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন (২০) সহ অজ্ঞাত নামা আরও ৭/৮জন কে বিবাদী করে এ অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগে প্রকাশ, গত ৫ বছর পূর্বে সৈয়দ আহমেদ ও তার স্ত্রী হজে যাওয়ার জন্য টাকার বিশেষ প্রয়োজনে বড় পুত্র হারুনের কাছে ১৮ শতাংশ সম্পত্তি ১২ লক্ষ টাকা মুল্যে বিক্রি করে। সৈয়দ আহমেদ সরল বিশ্বাসে ৫/৬ মাসের মধ্যে হারুন বিদেশ গিয়ে টাকা দিবে বলে জমি বিক্রি করে। তার কথামতে বিদেশ যাওয়ার পর জমি বিক্রির টাকা চাওয়া হলে দেয় দিচ্ছি বলে বিভিন্ন তালবাহান করে আসছে।
এ নিয়ে গত ০৯/০৮/২০২২ইং তারিখে রাত অনুমান ৩ ঘটিকার সময় তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে হারুন সহ বিবাদীরা লাঠি সোঠা দিয়ে সৈয়দ আহমেদ কে এলোপাতাড়ি মারধর করে। মারধরে সৈয়দ আহমেদের বাম কানে, দুই হাতের কব্জি ও বাম পায়ের উরুতে রক্তাক্ত জখমসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলা ফুলা জখমে আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। এ ছাড়াও অভিযোগে উললেখ রয়েছে এ ঘটনার পূর্বেও একাধিকবার মারধরের শিকার হয় সৈয়দ আহমেদ সহ তার স্ত্রী সাজেদা বেগম ।
বিবাদী হারুনুর রশিদ জানান, আমি ১৯ বছর প্রবাস জীবনের উপার্জন পিতার কাছে দিয়ে সংসার চালিয়ে আসছি। সে পরিপ্রেক্ষিতে আমাকে ১৮ শতক জমি রেজিষ্ট্রি করে দেয়। তাও যৌথ পরিবারের সম্পত্তি। ওইদিন ঘটনার সময় কথাকাটির এক পর্যায়ে বাবাসহ পরিবারের লোকজন আমাক বেদম মারধর করে। আমি আত্মরক্ষার্থে প্রতিহত করতে গেলে বাবা আহত হওয়ার ঘটনা স্বীকার করে। আমিও আহত হয়ে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নেই।
অভিযোগটির বিষয়ে কচুয়া থানার এসআই আব্দুস সামাদ আজাদ জানান, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।