


সরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার আর্থিক ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা এবং কার্যকারিতা সংক্রান্ত ৩৮টি অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে সরকারি অর্থ ব্যয় ও প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে গিয়ে এসব অডিট রিপোর্ট হস্তান্তর করেন মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মো. নূরুল ইসলাম। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎও করেন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, হস্তান্তর করা ৩৮টি অডিট রিপোর্টে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব প্রতিবেদনের মাধ্যমে সরকারি খাতে বিদ্যমান অনিয়ম, ঘাটতি ও উন্নয়ন সম্ভাবনা চিহ্নিত করা হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী সরকারি ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে সরকারি অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না, এবং উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণ করছে কি না-তা নিয়মিতভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কেবলমাত্র কমপ্লায়েন্স অডিট নয়, বরং পারফরমেন্স অডিটের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে প্রকল্পের কার্যকারিতা ও ফলাফল আরও স্পষ্টভাবে মূল্যায়ন করা যায়।
হস্তান্তর করা এসব অডিট রিপোর্ট সরকারি প্রশাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।