


রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এক আবেগঘন দৃশ্যের জন্ম নেয়, যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজার জন্য মানুষের ঢল নামে। দূর মাদারীপুরের কালকিনি থেকে ১১০ বছর বয়সী মৌলভী আব্দুর রশিদ শহরের উদ্দেশ্যে ছুটে আসেন, প্রিয় নেত্রীকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানানোর জন্য।
বয়স ও শারীরিক দুর্বলতা উপেক্ষা করে জানাজায় অংশ নেওয়া এই শতায়ু বৃদ্ধ জানান, তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন এবং তার জানাজাতেও অংশ নিয়েছিলেন। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, "জিয়াউর রহমানের পর তার সেই আপসহীন দেশপ্রেম আমি বেগম খালেদা জিয়ার মাঝে দেখেছি। তিনি জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, কিন্তু আদর্শের প্রশ্নে কখনো মাথা নত করেননি।"
বেলা ৩টা ৩ মিনিটে মানিক মিয়া এভিনিউতে শুরু হয় বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা। ইমামতি ও খতমকাজ পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। জানাজার সঙ্গে সঙ্গে মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু হওয়া মানুষের ঢল দ্রুত বিস্তার পায় বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার ও শাহবাগ পর্যন্ত।
মৌলভী আব্দুর রশিদ আবেগজড়িত কণ্ঠে জানান, খালেদা জিয়ার মতো নেত্রী বাংলাদেশের মাটিতে আর জন্মাবে বলে মনে হয় না। তিনি আরও বলেন, "দেশ আজ একজন খাঁটি দেশপ্রেমিককে হারালো। এই শরীর নিয়েও কষ্ট করে হলেও জানাজায় শরিক হতে না পারলে মনে বড় আফসোস থেকে যেত।