


মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করা ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে হংকং পতাকাবাহী জাহাজ ‘কিউচি’ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এটি চলতি এপ্রিল মাসে আসা অকটেনের তৃতীয় বড় চালান। নতুন এই চালানসহ গত এক মাসে মোট প্রায় ৭৯ হাজার টন অকটেন দেশে এসেছে, যা দেশের বর্তমান দৈনিক চাহিদার ভিত্তিতে দুই মাসেরও বেশি সময়ের জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে ভেড়ে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। বন্দরের সংশ্লিষ্টরা জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে তেল খালাস সম্পন্ন করে তা সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত করা হবে।
এর আগে ৮ এপ্রিল একই পরিমাণ অর্থাৎ ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ এবং ১৭ এপ্রিল ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে ‘এমটি নেভি সিয়েলো’ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। ধারাবাহিক এসব আমদানি কার্যক্রমের ফলে জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
প্রাইড শিপিং লাইনের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম জানান, বর্তমানে শুধু ‘কিউচি’ নয়, বহির্নোঙরে আরও পাঁচটি জাহাজ অকটেন ও ডিজেল নিয়ে অবস্থান করছে। পাশাপাশি বুধবার থেকেই তিনটি জাহাজ বার্থিং করে তেল খালাস শুরু করেছে।
তিনি আরও বলেন, বন্দরের অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা জ্বালানি খালাস কার্যক্রমে কিছুটা চাপ তৈরি করছে। বিশেষ করে ডলফিন জেটি সংখ্যা মাত্র তিনটি হওয়ায় একসঙ্গে সব জাহাজকে বার্থিং দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এর সঙ্গে আবহাওয়ার বিরূপ পরিস্থিতিও খালাস কার্যক্রমে কিছুটা ধীরগতি সৃষ্টি করছে।
নতুন চালানটি দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যদিও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও আবহাওয়ার প্রভাব কার্যক্রমে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।