Date: May 14, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / রাজনীতি / গণভোটের পক্ষে পোস্ট, মুহূর্তেই দলছাড়া ছাত্রদল নেতা! - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যের প্রকাশ

গণভোটের পক্ষে পোস্ট, মুহূর্তেই দলছাড়া ছাত্রদল নেতা!

March 30, 2026 09:07:44 PM   অনলাইন ডেস্ক
গণভোটের পক্ষে পোস্ট, মুহূর্তেই দলছাড়া ছাত্রদল নেতা!

লালমনিরহাটের আদিতমারী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের এক নেতাকে গণভোটের পক্ষে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।

বহিষ্কৃত নেতা রাকিবুল হাসান আদিতমারী উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আমরুল হাসান মোল্লার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পদ থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দলের অন্য নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওইদিন দুপুর ১টার দিকে ‘MD Rakibull Hasan’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘টালবাহানা না করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেন’ শিরোনামে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। পোস্ট দেওয়ার প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যেই জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ সাদিকুল ইসলাম পাভেল ও সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর খানের অনুমোদনে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

রাকিবুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিশেষ করে জুলাইয়ের আন্দোলনে তিনি জেলা শহর ও আদিতমারীতে সামনের সারিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন বলে জানা গেছে। বহিষ্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, স্কুলজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির প্রতি তার আগ্রহ ছিল এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দলের অবস্থান তাকে অনুপ্রাণিত করেছে। তিনি দাবি করেন, দেশের মানুষের স্বার্থে গণভোট বাস্তবায়নের কথা বলায় শুধু একটি পোস্টের কারণেই তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

অন্যদিকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ সাদিকুল ইসলাম পাভেল জানান, এর আগেও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে রাকিবুলকে দুইবার শোকজ করা হয়েছিল। তাদের ধারণা, তিনি অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছেন, যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। তাই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এই ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, যেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত মত প্রকাশ ও দলীয় শৃঙ্খলার সীমা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।