Ultimate magazine theme for WordPress.

‘কিছু পরামর্শ, কিছু ভালো লাগা’ হেযবুত তওহীদের প্রতি সাধারণ মানুষের মন্তব্য

স্টাফ রিপোর্টার: হেযবুত তওহীদের কর্মীরা পত্রিকা বিক্রয়কালে সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া –

মন্তব্য-১
“এত দেরি হয়েছে কেন?”
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় হেযবুত তওহীদের সদস্য আলী আকবর সুমন ঈদের বিশেষ পত্রিকা বিক্রি করতে যান। তাদেরকে দেখেই একজন ডিমের আড়তদার বলেন, “তোমাদের আসতে এত দেরি হয়েছে কেন? সকাল থেকে তোমাদের পত্রিকা পড়ার জন্য অপেক্ষায় বসে আছি। তোমাদের পত্রিকাটা অনেক ভালো, এই পত্রিকায় অনেক ভালো ভালো কলাম লিখে।”
তারপর আরো একজন কাঁচামাল ব্যবসায়ী (বয়স: ৪৫) বলেন, “তোমাদের পত্রিকা ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে কথা বলে। এই একটা মাত্র পত্রিকা যারা মোল্লাদের বিরুদ্ধে কথা বলে।”
আরো অনেকেই আমাদের পত্রিকার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন।

মন্তব্য-২
“যদি রোজ পেতাম”
ঈদের পরদিন অর্থাৎ ২২ জুলাই কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় পত্রিকা বিক্রি করতে যান সদস্যা নুরুন্নাহার। পঞ্চাশোর্ধ বয়সের এক চা বিক্রেতাকে পত্রিকা কেনার প্রস্তাব করলে তিনি বলেন, “হেযবুত তওহীদ সত্য। এই পত্রিকাটি পড়লে আমার ভালো লাগে। প্রতিদিন যদি পত্রিকাটা পেতাম তাহলে আরো ভালোভাবে জানতে পারতাম। জানার পর আমি হেযবুত তওহীদে যোগদান করতাম।”


মন্তব্য-৩
কিশোরগঞ্জের সদস্য আতিকুর রহমান নান্দাইল উপজেলায় পত্রিকা বিক্রিতে যাওয়ার পর একজন মুদি দোকানদার বয়স আনুমানিক ৪০, পত্রিকায় হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমামের ছবি দেখেই বলেন, “এই পত্রিকাটা খুব ভালো লেখে।”

মন্তব্য-৪
“পেটের দায়ে পত্রিকা বিক্রি!”
জেলা : ময়মনসিংহ
তারিখ : ২২/০৭/২০২১
ময়মনসিংহ জেলার দারা বাজারে হেযবুত তওহীদের নারী সদস্যরা পত্রিকা বিক্রির সময় এক ব্যক্তি তাদের ছবি তুলতে চায়। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসলে আমি আপনাদেরকে কিছু দান করতে চাই! আপনারা পেটের দায়ে সামান্য টাকার জন্য পত্রিকা বিক্রি করতে এসেছেন।” তখন নারী সদস্যরা তাকে বুঝিয়ে বলেন যে, কেন তারা প্রচলিত প্রথায় ঈদ উদযাপন রেখে পত্রিকা বিক্রি করছেন। তখন লোকটি তার ভুল বুঝতে পেরে লজ্জিত হন।

মন্তব্য ৫
কুড়িগ্রাম জেলা থেকে,
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও সঙ্গীত-নাট্যকলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান, লেখক ও গবেষক ড. আব্দুল হালিম প্রামাণিক ঈদের বিশেষ পত্রিকা পড়ে মন্তব্য করেন, “আমি আপনাদের এমামের সাথে একদিন চা খেতে চাই। আপনাদের পত্রিকা আমি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। পত্রিকার ভাষা অত্যন্ত সাবলীল এবং সব ধরনের পাঠক সহজে এর বিষয়বস্তু হৃদয়ঙ্গম করতে পারবে। আপনাদের আদর্শিক লেখাগুলো পড়েছি- অসাধারণ। চালিয়ে যান। তবে আপনাদের এমামকে ব্র্যান্ডিং এর ক্ষেত্রে আরও কৌশলী হতে হবে, এটা আমার পরামর্শ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.