Ultimate magazine theme for WordPress.

ওরা এখন মোবাইল ছেড়ে খেলার মাঠে

শেরপুর প্রতিনিধি:
করোনায় দীর্ঘদিন স্কুল-কলেজ, বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকায় উঠতি বয়সী শিশু-কিশোররা মোবাইল গেইম আসক্তি বেড়ে যায়। এই অবস্থায় গত ২৭ আগষ্ঠ শেরপুর ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারন সম্পাদক মানিকে দত্ত তার ফেসবুক পেজে লিখেন, শেরপুর জেলার যে সকল ছেলে মেয়ে অঙ্গীকার করবে তারা মোবাইল ফোনে গেইম না খেলে ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস, দাবা খেলবে এবং সাঁতার শিখবে তাদের খেলার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করা হবে দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ। আর্থিক ভাবে অসমর্থদের পোষাকও প্রদান করা হবে। সারা জেলায় বিলি করা হবে এক ট্রাক ফুটবল।

জানা যায়, অভিনব এমন ঘোষণায় মোবাইল গেমেস খেলায় আসক্ত অসংখ্য শিশু কিশোরের মা-বাবা মানিক দত্তের সাথ যোগাযোগ করেন। ইতিমধ্যে মোবাইল গেইম ছেড়ে ফুটবল মাঠে নেমেছেন অন্তত ৮০ জন উঠতি বয়সি কিশোর। সাতার করছেন ২৫ জন। ব্যাডমিন্টন খেলছেন ১৩ কিশোর ও ৮ কিশোরি। প্রাতিদিনই বাড়ছে আগ্রহীদের সংখ্যা। এই কিশোরদের পদচারণায় ষ্টেডিয়াম পাড়া এখন জম জমাট।

“মানিকের নিজস্ব সংগঠন শেরপুর স্পোর্টস একাডেমির মাধ্যমে প্রশিক্ষক দিয়ে বিভিন্ন খেলা শিশু কিশোরদের তালিম দেওয়া হচ্ছে। মানিকের এমন আবেদনে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন ফুটবল, আগ্রহীদের পোষাকসহ নানা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।”

অনেকে মনে করছেন, খেলার সামগ্রী পেলে তারা আর মোবাইল গেমসে তারা ফিরবে না। মাঠে আসাদের মধ্যে অনেকেই টার্চ মোবাইল আর ব্যবহার করে না বলে অভিভাবকরা জানিয়েছে। মানিক দত্তের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শেরপুরের মানুষ।

মানিক দত্ত জানান, খুব তাড়াতাড়ি এক ট্রাক (৫শ) ফুটবল শেরপুরের বিভিন্ন ক্লাব, মাঠ ও সংগঠনের মধ্যে বিলি করা হবে।তিনি আরও বলেন, মোবাইল গেমস ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অবব্যবহার শিশু কিশোরদের ধ্বংস করে ফেলছে।খেলাধূলায় আসলে ওদের মন দেহ সুস্থ থাকবে-এমন চিন্তা থেকেই এই আবেদন করেছিলাম। যেভাবে মানুষজন আগ্রহী হয়ে বাচ্চাদের দিচ্ছে তাতে ক্রীড়া সংস্থার আরও সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে বলে জানান ক্রীড়ামোদি, শেরপুর ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি ও শেরপুর প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক দত্ত।

Leave A Reply

Your email address will not be published.