


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ২ লাখ ২৬ হাজার ৫৬১ পরীক্ষার্থী মোট ৪ লাখ ২৮ হাজার ৪৫৮টি খাতা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, পুনর্নিরীক্ষণের ফল ১৬ নভেম্বর, রোববার সকাল ১০টায় প্রকাশ করা হবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) গণমাধ্যমকে বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে দ্রুত ফল জানতে পারে, সেই জন্য পুনর্নিরীক্ষণের সব কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রতিটি খাতার পুনর্নিরীক্ষণ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়েছে। ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটে তাদের ফলাফল দেখতে পারবেন।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। সর্বাধিক আবেদন এসেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে, যেখানে ২ লাখ ৯২ হাজার ৫৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৬ হাজার ১৫০ জন আবেদন করেছেন। এতে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৬টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। কুমিল্লা বোর্ডে ২২ হাজার ৫০৩ জন শিক্ষার্থী ৪২ হাজার ৪৪টি খাতা, রাজশাহীতে ২০ হাজার ৯২৪ জন শিক্ষার্থী ৩৬ হাজার ১০২টি খাতা, আর চট্টগ্রাম বোর্ডে ২২ হাজার ৫৯৫ জন শিক্ষার্থী ৪৬ হাজার ১৪৮টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন।
অন্যান্য বোর্ডে আবেদন সংখ্যা যথাক্রমে যশোরে ২০ হাজার ৩৯৫ জন (৩৬ হাজার ২০৫ খাতা), দিনাজপুরে ১৭ হাজার ৩১৮ জন (২৯ হাজার ২৯৭ খাতা), ময়মনসিংহে ১৫ হাজার ৫৯৮ জন (৩০ হাজার ৭৩৬ খাতা), সিলেটে ১৩ হাজার ৪৪ জন (২৩ হাজার ৮২ খাতা), কারিগরি বোর্ডে ১২ হাজার ৭ জন (১৫ হাজার ৩৭৮ খাতা) এবং মাদরাসা বোর্ডে ৭ হাজার ৯১৬ জন (১৪ হাজার ৭৩৩ খাতা)। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে সবচেয়ে কম আবেদন পড়েছে, যেখানে ৮ হাজার ১১ জন শিক্ষার্থী ১৭ হাজার ৪৮৯টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছেন।
বিষয়ভিত্তিকভাবে সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে। পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণের সময়কাল ছিল ১৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর, এবং শিক্ষার্থীরা প্রতি বিষয়ে ১৫০ টাকা ফি দিয়ে আবেদন করেছেন।